1. md.alisiddiki@gmail.com : Ali Siddiki : Ali Siddiki
  2. jinnatiris@gmail.com : Jinnat Ara : Jinnat Ara
  3. azizul.basir@gmail.com : Azizul Basir : Azizul Basir
  4. mdriyadhasan700@gmail.com : Riyad Hasan : Riyad Hasan
  5. shawontanzib@gmail.com : Shawon Tanzib : Shawon Tanzib
শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১, ১১:৪৬ অপরাহ্ন

সার্টিফিকেটের ভুল সংশোধনের সহজ পদ্ধতি

প্রচ্ছদ সংবাদ সংগ্রহকারী
  • হালনাগাদ সময় রবিবার, ২১ জুন, ২০২০
  • ৫৮ প্রদর্শিত সময়
sdnewsbd.com
sdnewsbd.com

বর্তমান যুগ প্রযুক্তিনির্ভর। কোন ক্ষেত্রে যদি আপনার তথ্যের কোন গড়মিল থাকে, তবে আপনাকে পদে পদে ভোগান্তি পোহাতে হবে। কিন্তু চিন্তার কোন কারণ নেই, সমস্যা যেমন আছে সমাধানও আছে। এই ডিজিটাল যুগে অনেক জটিল ব্যাপার খুব সহজেই সমাধান করা সম্ভব। যে বিষয়গুলো আগে বেশ জটিল করে দেখা হতো এর মধ্যে সার্টিফিকেটে নাম, জন্মতারিখ, কিংবা মা-বাবার নামে ভুল সংক্রান্ত। এখন এগুলো অনলাইনে খুব সহজে করা যায়।

কীভাবে এই ভুলগুলোর সংশোধন করবেন তা বুঝতে পারেন না অনেকেই। তাই দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। তবে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। সার্টিফিকেটে নামের বানান বা জন্মতারিখ ভুল হলে তা অনলাইনে সংশোধন করাটা খুবই সুবিধাজনক। এবার বিস্তারিত জেনে নিন…

প্রথমত, আইনজীবীর মাধ্যমে নাম বা জন্মতারিখের ভুল সংশোধনের জন্য প্রথমে নোটারি বা এফিডেভিট করাতে হবে। প্রার্থীর নিজের নাম সংশোধনের ক্ষেত্রে তার বয়স যদি ১৮ বছরের বেশি হয় তাহলে তিনি নিজেই এফিডেভিট করতে পারবেন। প্রার্থীর বয়স যদি ১৮ বছরের কম হয় বা প্রার্থী যদি তার মা-বাবার নাম সংশোধন করতে চান তাহলে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে প্রার্থীর বাবা কর্তৃক প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা নোটারি পাবলিকের কাছ থেকে এফিডেভিট করতে হবে।

দ্বিতীয়ত, একটি দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। এটা করতে হবে হলফনামা সম্পাদনের পর। বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীর সার্টিফিকেট নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম, শাখা, পরীক্ষার সাল, পরীক্ষাকেন্দ্রের নাম, রোল নম্বর, বোর্ডের নাম এবং জন্মতারিখ উল্লেখ করে যা সংশোধন করতে চান (প্রার্থীর নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম বা জন্মতারিখ) তা সংক্ষেপে উল্লেখ করতে হবে।

তৃতীয়ত, এ দুটি কাজ সম্পাদন করার পর উপরে উল্লেখিত দুটি কাগজ এবং আপনার বাবা-মায়ের নাম সংশোধন হলে তাদের সার্টিফিকেট বা ন্যাশনাল আইডি 
কার্ড/আপনার নিজের হলে জন্ম সনদ নিয়ে সরাসরি চলে যান যে স্কুল বা কলেজে আপনি পড়াশুনা করেছেন সেখানে। এই কাজটি আপনি বাসায় বসে করতে পারবেন না। কারণ এটি করতে কলেজের EIIN ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে করা হয়।

চতুর্থত, এই কাগজগুলো নিয়ে আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে জানান। তিনি প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে অনলাইন আবেদন করার জন্য নির্দেশনা দেবেন। তখন তিনি আপনার ডুকুমেন্ট স্ক্যান করে আবেদন করে দেবেন এবং ফোনে ম্যাসেজ চলে আসবে সঙ্গে সঙ্গে। তারপর সোনালী ব্যাংকে আবেদন ফি জমা দেওয়ার জন্য একটা রশিদ দেবেন। ৫৫৮ টাকা জমা দিতে হবে (প্রতিটির জন্য)। টাকা জমা দেওয়ার পর রশিদ অবশ্যই যত্ন করে রাখতে হবে। আবেদন ফি জমা না দিলে আবেদন গৃহীত হবে না। আবেদন ফি জমা করার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে আলাদা একটা প্রোফাইল ক্রিয়েট হবে। সেখানে লগ ইন করে মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই সর্বশেষ অবস্থা জানা যাবে।

পঞ্চমত, টাকা জমা দেয়ার পর আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে ৩ মাস বা এর কিছু বেশি সময় লাগতে পারে। যখন কাজ শেষ হবে তখন ফোনে ম্যাসেজ চলে আসবে এবং প্রোফাইলে লগ ইন করলে সেখানে নতুন একটা অপশান আসবে ‘ডুকুমেন্ট উত্তোলন’। সেই অপশনে গিয়ে ডকুমেন্টস উত্তোলনের আবেদন করবেন। এবার কলেজে যাওয়ার প্রয়োজন নেই, কারণ এখন সাইটে পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করতে পারবেন। সেখানে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে যেই ডকুমেন্ট উত্তোলন করতে চান, সেটার জন্য ঘরে বসে আবেদন করুন।

ষষ্ঠত, আবেদন করার পর উত্তোলন ফি (ঢাকা বোর্ডের ৫৫৮ টাকা, দিনাজপুর বোর্ডের ১০৩৮, রাজশাহী বোর্ডের ১০২৮) সোনালি ব্যংকে পে করার জন্য একটা ডকুমেন্টস পেয়ে যাবেন। সেটা নিয়ে ব্যাংকে যান। আগের মতোই ফি জমা দিন। এবার ১ সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে। তারপর ফোনে ম্যাসেজ পাবনে ডকুমেন্টস রেডি। তখন প্রোফাইলে লগ ইন করে উত্তোলন করার চুড়ান্ত ডকুমেন্টস ডাউনলোড করে প্রিন্ট করুন। 

এরপর শিক্ষা বোর্ডে অরিজিনাল সার্টিফিকেট জমা দিন। এর পর দিন আবার অফিসে গিয়ে চুড়ান্ত ডুকুমেন্টস এবং ব্যাংকে যে ফি জমা দিয়েছেন সেটার মুল কপি জমা দিয়ে বুঝে নিন নতুন সংশোধিত সার্টিফিকেট। এই প্রক্রিয়াটি শেষ হতে সব মিলিয়ে আপনার খরচ হতে পারে তিন থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকার মতো।

সোশ্যাল আইডিতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত এসডিনিউজবিডি.কম
Theme Designed | Net Peon Bangladesh
themesbazarsdnw787
error: নকল হইতে সাবধান !!