1. md.alisiddiki@gmail.com : Ali Siddiki : Ali Siddiki
  2. jinnatiris@gmail.com : Jinnat Ara : Jinnat Ara
  3. azizul.basir@gmail.com : Azizul Basir : Azizul Basir
  4. mdriyadhasan700@gmail.com : Riyad Hasan : Riyad Hasan
  5. shawontanzib@gmail.com : Shawon Tanzib : Shawon Tanzib
শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১, ০৯:১২ অপরাহ্ন

পদ্মাসেতুর পাশ দিয়ে অধিক উচ্চতার ৭ বৈদ্যুতিক টাওয়ার

প্রচ্ছদ সংবাদ সংগ্রহকারী
  • হালনাগাদ সময় মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ, ২০২১
  • ১২ প্রদর্শিত সময়
sdnewsbd.com
sdnewsbd.com

দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো পদ্মাসেতু, নির্মাণাধীন অ্যাপ্রোচ রোড, রেলপথ, ফ্লাইওভারসহ অন্য সঞ্চালন লাইন বিভিন্ন স্থানে ক্রসিংয়ের কারণে অধিক সংখ্যক এবং অধিক উচ্চতার টাওয়ার ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ‘আমিনবাজার-মাওয়া-মোংলা ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন (১ম সংশোধিত) উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এ উদ্যোগ।

পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি মোতাবেক ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ তারিখে প্রকল্পটির রিভার-ক্রসিং লাইন নির্মাণের জন্য পদ্মানদীতে সাতটি টাওয়ারের ফাউন্ডেশন নির্মাণকাজ সরেজমিনে মনিটরিং করেন আইএমইডি সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী।

সচিবের সঙ্গে আইএমইড’র পরিচালক (পরিবহন) মো. মাহবুবুর রহমান, একান্ত সচিব মোহাম্মদ রফিকুল হক, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ফয়সাল কবীর, প্রকল্প পরিচালক মোরশেদ আলম খানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।  

পদ্মা সেতুর পাশ দিয়ে ৯ দশমিক ৪ কিলোমিটার ৪০০ কেভি রিভার ক্রসিং লাইন নির্মাণ করা হচ্ছে। নদীতে নির্মাণাধীন টাওয়ারগুলো প্রতিটি ৮৩ মিটার দূরে দূরে অবস্থিত এবং গিয়ারের পাইলগুলো একটি থেকে আরেকটি যথেষ্ট দূরে থাকায় পরিবেশগত প্রতিক্রিয়া কম। বিষয়গুলো পরিবেশ অধিদপ্তর ও প্রকল্পে নিয়োজিত বিশেষজ্ঞরা প্রতিনিয়ত মনিটরিং করেন। এছাড়াও এ কাজের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে ছাড়পত্র নেওয়া হয়েছে এবং প্রতিবছর তা নবায়ন করা হচ্ছে বলে বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।  

পরিদর্শনকালে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, রামপাল ১ হাজার ৩২০  মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ ইভাকুয়েশনের জন্য পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি) বাস্তবায়নাধীন আমিনবাজার-মাওয়া-মোংলা ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন নির্মাণ (১ম সংশোধিত) শীর্ষক প্রকল্পটি জুলাই ২০১৬ থেকে জুন ২০২০ মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য ২৬ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে একনেকে অনুমোদিত হয়। প্রকল্পের আওতায় আমিনবাজার-মাওয়া-মোংলা পর্যন্ত ৪০০ কেভি ডাবল সার্কিট লাইন নির্মাণ করা হবে ১৬৪ দশমিক ৬ কিলোমিটার। এবং আমিনবাজার ৪০০/২৩০ কেভি উপকেন্দ্র নির্মাণের সংস্থান ছিল।

বাংলাদেশ পায়রায় ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। বর্তমানে মোংলা ও পায়রা বন্দরে কয়লাভিত্তিক পাওয়ার প্ল্যান্টসহ দক্ষিণাঞ্চলে অনেকগুলো পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণের কাজ চলমান। দক্ষিণাঞ্চলের উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় সরবরাহের জন্য সেখান থেকে গোপালগঞ্জ পর্যন্ত অপর একটি লাইন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।  

আইএমইডির পরিদর্শনে দেখা যায়, সঞ্চালন লাইনের বাগেরহাট অংশে ১০০টি টাওয়ারের অবস্থান। ব্যক্তি মালিকানাধীন মাছের ঘেরের মধ্যে হওয়ায় এবং টাওয়ারের কারণে বেশ কিছু সংখ্যক মাছের ঘের ও পানের বরজ নষ্ট হওয়ায় ব্যাপক রাইট অব ওয়ে সমস্যায় পড়তে হয়েছে। এছাড়া মুন্সিগঞ্জ জেলাধীন আড়িয়াল বিল বছরে মাত্র ২ থেকে ৩ মাস শুষ্ক থাকে বিধায় সেখানে প্রকল্পের সংস্থান মোতাবেক ২০টি বৈদ্যুতিক টাওয়ার নির্মাণের ক্ষেত্রে সময় স্বল্পতা এবং মালামাল পরিবহনসহ বিভিন্ন সমস্যা হচ্ছে।

প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে পদ্মানদী পারাপারের জন্য ১১টি টাওয়ার নির্মাণ, যার মধ্যে ৭টি টাওয়ার পদ্মানদীর মধ্যে এবং এগুলো স্থাপনের কাজ চলছে মেগা প্রজেক্ট পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের আওতায়। অবশিষ্ট ৪টি নির্মাণ করছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ।

পদ্মানদী তীরবর্তী স্থলভাগের চারটি টাওয়ারও গুরুত্ব সহকারে নির্মাণ করা হচ্ছে। নির্মাণকাজে ব্যবহৃত সব সামগ্রী যানবাহনের মাধ্যমে সাইটে নেওয়া হয় বলে জানা যায়।

আইএমইডি সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী সচিব বলেন, পদ্মানদীর মধ্যে ৭টি টাওয়ারই 4DR Suspension (উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন) টাইপ। এগুলো নির্মাণের জন্য ভাসমান কাঠামোতে ভারী ক্রেন ও হ্যামারের মাধ্যমে নদীর তলদেশে পাইল ড্রাইভ করা হয়েছে। প্রতিটি পাইল দু’টি সেগমেন্ট দিয়ে গঠিত যেগুলো মাওয়া কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে প্রস্তুত করে লোকেশনে বহন করে নেওয়া হয়েছে। কংক্রিট মাওয়া প্রান্তের প্ল্যান্টে মিক্স করে লোকেশনে ফেরির মাধ্যমে নিয়ে যাওয়া হয়।

বর্তমানে ৪০০ কেভি এ বিদ্যুৎ লাইন নির্মাণ কাজে ৭৫ জন চায়নিজ এবং ৯১০ জন স্থানীয় শ্রমিক স্থায়ীভিত্তিতে এবং ৩০০ থেকে ৪০০ জন স্থানীয় শ্রমিক দৈনিকভিত্তিতে নিয়োজিত। তাছাড়া কাজ তদারকির জন্য ১৫ জন পরামর্শক নিয়োজিত রয়েছেন।

জানুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত প্রকল্পটির আর্থিক অগ্রগতি ৫৬ শতাংশ। বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থা আধুনিকীকরণে প্রকল্পটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। প্রকল্পের কাজ নিবিড় তদারকির মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ে সমাপ্ত করার বিষয়ে পরিকল্পনা মাফিক বিভিন্ন অঙ্গের কাজ বাস্তবায়ন করার জন্য প্রকল্প কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছে আইএমইডি। প্রকল্পটির মেয়াদকাল ১ জুলাই ২০১৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত। প্রকল্পটির মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ২ হাজার ৫০৫ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। যার মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৮৯৭ কোটি ৩২ লাখ এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ঋণ ১ হাজার ২৭০ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। এছাড়া সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৩৩৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি)। প্রকল্পটির উদ্দেশ্য হচ্ছে ঢাকা ও খুলনার মধ্যে ব্যাকবোন ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন ,পদ্মাসেতুর পাশ দিয়ে ৪০০ কেভি রিভার ক্রসিং লাইন ও আমিনবাজারে ৪০০/২৩০ কেভি এআইএম উপকেন্দ্র নির্মাণ করা।

সোশ্যাল আইডিতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত এসডিনিউজবিডি.কম
Theme Designed | Net Peon Bangladesh
themesbazarsdnw787
error: নকল হইতে সাবধান !!