1. md.alisiddiki@gmail.com : Ali Siddiki : Ali Siddiki
  2. jinnatiris@gmail.com : Jinnat Ara : Jinnat Ara
  3. azizul.basir@gmail.com : Azizul Basir : Azizul Basir
  4. mdriyadhasan700@gmail.com : Riyad Hasan : Riyad Hasan
  5. shawontanzib@gmail.com : Shawon Tanzib : Shawon Tanzib
মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১, ০১:০৮ পূর্বাহ্ন

কাল থেকে লকডাউন ওয়ারীর ৪১নং ওয়ার্ড

প্রচ্ছদ সংবাদ সংগ্রহকারী
  • হালনাগাদ সময় শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২০
  • ৪৫ প্রদর্শিত সময়
sdnewsbd.com
sdnewsbd.com

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ওয়ারীতে আগামী শনিবার থেকে লকডাউন শুরু হবে। ডিএসসিসির ৪১ নম্বর ওয়ার্ড ওয়ারীর আটটি এলাকাকে চিহ্নিত করে বুধবার থেকে ডিএসসিসির উদ্যোগে প্রস্তুতি নেয়া শুরু হয়েছে। জনগণকে সচেতন করতে মাইকিং করা হচ্ছে।

স্থানীয় কাউন্সিলর জানান, শুক্রবার পর্যন্ত মাইকিং করা হবে এবং শনিবার ভোর ৬টা থেকে লকডাউন কার্যকর করা হবে। তবে এ লকডাউন নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

৪১ নম্বর ওয়ার্ডের আউটার রোডের মধ্যে টিপু সুলতান রোড, জাহাঙ্গীর রোড, জয়কালী মন্দির থেকে বলধা গার্ডেন, ইনার রোডের মধ্যে লারমিনি রোড, হরে রোড, ওয়ার রোড, র‌্যাংকিন রোড, নওয়াব রোড লকডাউনের আওতায় থাকবে। প্রয়োজনীয় যাতায়াত সুবিধার জন্য দুটি পথ খোলা রাখা হবে। বাকিগুলো বন্ধ করে দেয়া হবে।

বুধবার ওয়ারী ঘুরে লকডাউনের আগে স্থানীয়দের বাজার-হাট করার তেমন দৃশ্য চোখে পড়েনি। তবে লকডাউন সম্পর্কে বিভিন্ন জন বিভিন্ন ধরনের কথা বলেছেন। কেউ বলছেন, এটি একটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। লকডাউন হলে করোনার সংক্রমণ এলাকায় আর ছড়াবে না। আবার কেউ বলছেন, এসব লকডাউনে করোনা সংক্রমণ তো কমবেই না। বরং খেটে খাওয়া মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে। কিছু মানুষের জন্য ২১ দিন অনেক কঠিন হয়ে যাবে।

র‌্যাংকিন স্ট্রিটের বাসিন্দা আবদুল জলিল বলেন, এমনিতেই করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে আয়-রোজগার নেই। দেশের অবস্থাও তেমন ভালো না। এখন লকডাউন দিয়ে কতটুকু উপকার হবে। আমি লকডাউনের পক্ষে নই। আয় না হলে মানুষ খাবে কী করে, বাসা ভাড়া দেবে কোথা থেকে? জয়কালী মন্দির এলাকার সুলাইমান হোসেন বলেন, লকডাউনে তেমন কোনো উপকার হবে না।

তবে সব জায়গায় একসঙ্গে লকডাউন দিতে পারলে ভালো হতো। নওয়াব রোডের রেহানা পারভীন বলেন, আমি লকডাউনের পক্ষে না। লকডাউনে কাজের কাজ কিছুই হবে না। শুধু শুধু ভোগান্তি বাড়বে মানুষের। আরেক বাসিন্দা রহিম শেখ বলেন, এটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। কিন্তু এ সিদ্ধান্ত কতটুকু বাস্তবায়ন হয় তা দেখার বিষয়। তিনি বলেন, কিছুটা কষ্ট হলেও বেঁচে থাকার জন্য এ লকডাউন আসলেই প্রয়োজন।

এদিকে ডিএসসিসির ৪১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সারোয়ার হোসেন আলো জানান, লকডাউনের সময়ে তিনটি সুপার শপ খোলা থাকবে। এছাড়া ওষুধের দোকান খোলা থাকবে। বাকি সব দোকানপাট বন্ধ থাকবে।

তিনি বলেন, মধ্য ও নিম্নমধ্যবিত্তরা অনলাইনে পণ্য কিনতে পারবেন। নিম্নবিত্তদের সহায়তার বিষয়ে তিনি বলেন, যার যা প্রয়োজন তা স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে তাদের বাসায় পৌঁছে দেয়া হবে। তিনি বলেন, প্রায় এক হাজার জনের খাদ্য মজুদ আছে। এছাড়া জেলা প্রশাসন, সিটি কর্পোরেশন সহায়তা দেবে। এতে আশা করি কোনো ধরনের সমস্যায় পড়বে না নিম্নবিত্ত মানুষ।

জানা গেছে, এলাকার মানুষের করোনার নমুনা দেয়ার জন্য ওয়ারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি বুথ স্থাপন করা হবে। বুথে প্রতিদিন ৫০ জন রোগী নমুনা দিতে পারবে। এছাড়া এলাকার করোনা রোগীদের জন্য ১০০ শয্যার ঢাকা মহানগর হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এছাড়া লকডাউন এলাকায় জরুরি চিকিৎসা সহায়তায় আক্রান্তদের হাসপাতালে নেয়ার জন্য আলাদা অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা থাকবে। ওয়ারী রেড জোন এলাকায় প্রায় ৪০ হাজার বাসিন্দার মধ্যে ৪৬ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

ঢাকা মহানগরীর কোনো এলাকার ১ লাখ মানুষের মধ্যে ৬০ জনের করোনা শনাক্ত হলে এলাকাটি রেড জোন ঘোষণা করার নির্দেশনা রয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতরের। ওয়ারীর এসব এলাকায় সম্পূর্ণ লকডাউন বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

এদিকে ওয়ারী জোনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার হান্নানুল ইসলাম বলেন, লকডাউন বাস্তবায়নে সব ধরনের সহযোগিতা দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।

সোশ্যাল আইডিতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত এসডিনিউজবিডি.কম
Theme Designed | Net Peon Bangladesh
themesbazarsdnw787
error: নকল হইতে সাবধান !!