1. md.alisiddiki@gmail.com : Ali Siddiki : Ali Siddiki
  2. jinnatiris@gmail.com : Jinnat Ara : Jinnat Ara
  3. azizul.basir@gmail.com : Azizul Basir : Azizul Basir
  4. mdriyadhasan700@gmail.com : Riyad Hasan : Riyad Hasan
  5. shawontanzib@gmail.com : Shawon Tanzib : Shawon Tanzib
শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১, ১০:১৩ অপরাহ্ন

বেগুন, ঢেঁড়স ও শসার দাম কমেছে

প্রচ্ছদ সংবাদ সংগ্রহকারী
  • হালনাগাদ সময় শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৯ প্রদর্শিত সময়
sdnewsbd.com
sdnewsbd.com

অস্বাভাবিক দাম বাড়ার পর রাজধানীর বাজারগুলোতে বেগুন, ঢেঁড়স ও শসার দাম কমেছে। একদিনের ব্যবধানে বেগুনের দাম কেজিতে ৫০ টাকার ওপরে কমে অর্ধেকে নেমে এসেছে। ঢেঁড়স ও শসার দাম কমেও প্রায় অর্ধেকে নেমেছে। একদিনে এ দুটি পণ্যের দাম কেজিতে কমেছে ৩০ টাকা পর্যন্ত।

বেগুন, ঢেঁড়স ও শসার পাশাপাশি কিছুটা দাম কমেছে পাকা টমেটো, ধুন্দুল, পটল, শিম, বরবটির। এসব সবজির দাম কেজিতে ১০ টাকার মতো কমেছে।

শনিবার (১৭ এপ্রিল) সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মান ও বাজার ভেদে বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা। গতকাল শুক্রবার বেগুনের কেজি বিক্রি হয় ৮০ থেকে ১২০ টাকা।

অস্বাভাবিক দাম বেড়ে কেজি ৯০ টাকায় উঠে যাওয়া শসার দাম কমে এখন ৫০ থেকে ৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। ঢেঁড়সের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, যা গতকাল শুক্রবার ছিল ৭০ থেকে ৮০ টাকা।

বেগুন, শসা, ঢেঁড়সের এমন দরপতনের বিষয়ে খিলগাঁওয়ের ব্যবসায়ী নূর আলী বলেন, ‘রাজধানীর বাসিন্দাদের বড় অংশ শুক্রবার বাজার করেন। এ কারণে শুক্রবার সবজির দাম একটু বেশি থাকে। রোজার প্রথম শুক্রবার হওয়ায় গতকাল সবজির দাম অস্বাভাবিক বেড়ে গিয়েছিল।’

তিনি বলেন, ‘গতকাল এক কেজি বেগুন ১২০ টাকা বিক্রি করেছি , আজ ৬০ টাকা কেজি বিক্রি করছি, তারপরও ক্রেতা কম। একই অবস্থা শসা ও ঢেঁড়সের। ঠান্ডা সবজি হিসেবে পরিচিত ঢেঁড়সের চাহিদা রোজায় একটু বেশি থাকে। চাহিদা বেশি হওয়ায় গতকাল ঢেঁড়সের কেজি ৮০ টাকা বিক্রি হয়েছে। আজ তা দাম কমে ৫০ টাকায় নেমেছে। আর গতকাল ৯০ টাকা কেজি বিক্রি করা শসা আজ ৬০ টাকা বিক্রি করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সবজির দাম নির্ভর করে আড়তের ওপর। আড়ত থেকে কম দামে সবজি কিনতে পারলে আমরাও কম দামে বিক্রি করি। ঠিক তেমনি আড়তে দাম বাড়লে আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হয়। আজ আড়ত থেকে সব সবজিই গতকালের থেকে কম দামে কিনতে পেরেছি। এ কারণে কম দামে বিক্রি করতে পারছি।’

কারওয়ানবাজারের ব্যবসায়ী মিলন ব্যাপারী বলেন, ‘গতকালের তুলনায় আজ সবজির সরবরাহ বেশি। কিন্তু চাহিদা কম। এ কারণে সবজির দাম কমেছে। সরবরাহ কম সবজির দাম আবার বেড়ে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘শুক্রবার বাজারে ক্রেতার চাপ বেশি থাকে, এটা সবাই জানে। যে কারণে সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে ১০-১৫ টাকা বেড়ে যায়। গতকাল রোজার প্রথম শুক্রবার হওয়ায় ক্রেতাদের চাপ অনেক বেশি ছিল। এ কারণে দামও বাড়ে বেশি হারে।’

এদিকে, গতকাল ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া সজনে ডাটার দাম কমে ৬০ থেকে ৭০ টাকায় নেমে এসেছে। পটলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, যা গতকাল ছিল ৬০ থেকে ৭০ টাকা। বরবটির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, যা গতকাল ছিল ৭০ থেকে ৮০ টাকা।’

দাম কমার এ তালিকায় রয়েছে পাকা টমেটো, ধুন্দুল, লাউ, পটল। পাকা টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, যা গতকাল ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা। গতকাল ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া ধুন্দুলের দাম কমে ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। গতকাল ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া পটলের দাম কমে ৪০ টাকায় নেমেছে।

মালিবাগ হাজীপাড়া বৌবাজারে ব্যবসায়ী জাকির বলেন, ‘আড়তে আজ সব ধরনের সবজির দাম কমেছে। এ কারণে আমরাও কম দামে বিক্রি করতে পারছি। আড়তে দাম আরও কমলে আমরাও আরও কম দামে বিক্রি করতে পারবো। তবে রোজায় সবজির দাম আরও কমার সম্ভাবনা কম। বরং আমাদের ধারণা সবজির দাম আবার বেড়ে যাবে।’

বাজারটি থেকে সবজি কেনা আমেনা বেগম বলেন, ‘দাম কমার পরও এখনও সব ধরনের সবজির দাম বেশি। টমেটো ছাড়া এখনও তো ৫০ টাকার নিচে সবজি পাওয়া যাচ্ছে না। এতো দাম দিয়ে সবজি কিনে খাওয়া আমাদের মতো খেটে খাওয়া মানুষের জন্য খুব কষ্টের।’

সোশ্যাল আইডিতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত এসডিনিউজবিডি.কম
Theme Designed | Net Peon Bangladesh
themesbazarsdnw787
error: নকল হইতে সাবধান !!